Alim 2026 ICT CQ Question Solution PDF Download | আলিম ২০২৬ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সৃজনশীল প্রশ্ন সমাধান পিডিএফ ডাউনলোড

Admin
0
Join Telegram for More Books
(toc)

২. সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান (CQ Solutions)

Alim 2026 ICT CQ Question Solution PDF Download

ভূমিকা (Introduction)

আসসালামু আলাইকুম, talimit.net-এর প্রিয় পাঠকবৃন্দ ও আলিম পরীক্ষার্থীবৃন্দ। আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনাদের আজকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) পরীক্ষা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। আলিম ২০২৬ সালের আইসিটি পরীক্ষার সৃজনশীল (CQ) এবং বহুনির্বাচনি (MCQ) উভয় অংশের শতভাগ নির্ভুল, সহজ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যাসহ সমাধান নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন।

বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র মূল্যায়নের মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতি ও উত্তরের সঠিকতা যাচাই করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বহুনির্বাচনি অংশের জটিল লজিক গেট, সংখ্যা পদ্ধতি রূপান্তর এবং সি প্রোগ্রামিং লুপের প্রশ্নগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা জানা থাকলে পরবর্তী পরীক্ষা ও অ্যাডমিশন টেস্টে তা দারুণ কাজে দেয়। এই পোস্টে নিয়মিত ও অনিয়মিত উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্যই পরীক্ষার প্রশ্নের নির্ভুল সমাধান সহজ ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

নিচে আলিম ২০২৬ আইসিটি পরীক্ষার ৮টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও তাদের পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেওয়া হলো:


১ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
'X' নামে একজন শিক্ষার্থী বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। সে মানুষের মতো হাটতে পারে এমন একটি যন্ত্র দেখতে পায়। যন্ত্রটি বিস্ফোরক দ্রব্য নিষ্ক্রিয়করণে ব্যবহৃত হয়। সে যন্ত্রটির সাথে একটি সেলফি তোলে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে এবং নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে।

প্রশ্ন (ক): আণবিক উপাদানকে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ করা হয় কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে?

উত্তর (ক):

আণবিক উপাদানকে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ করা হয় ন্যানোটেকনোলজি (Nanotechnology) প্রযুক্তির মাধ্যমে।

প্রশ্ন (খ): ক্যাশলেস বাংলাদেশ বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

ক্যাশলেস বাংলাদেশ বলতে এমন একটি আধুনিক ডিজিটাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে কোনো কাগজের নোট বা ধাতব মুদ্রার সরাসরি ব্যবহার ছাড়াই সমস্ত আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা হয়।
এই ব্যবস্থায় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, রকেট, নগদ), কিউআর (QR) কোড স্ক্যানিং, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ডিজিটাল উপায়ে মুহূর্তেই লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে লেনদেন সহজ ও নিরাপদ হয়, কাগজের মুদ্রার অপচয় রোধ হয়, কর ফাঁকি ও কালো টাকার বিস্তার বন্ধ হয় এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

প্রশ্ন (গ): উদ্দীপকে 'X' যে যন্ত্রটি দেখতে পায় তার প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকে 'X' নামের শিক্ষার্থী যে মানুষের মতো হাঁটতে সক্ষম এবং বিস্ফোরক দ্রব্য নিষ্ক্রিয়করণে ব্যবহৃত যন্ত্রটি দেখতে পায়, তার নেপথ্য প্রযুক্তিটি হলো রোবটিক্স (Robotics)

রোবটিক্সের ব্যাখ্যা:
রোবটিক্স হলো প্রযুক্তির এমন একটি শাখা যা রোবটের ডিজাইন, গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করে। রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা মানুষের নির্দেশে জটিল ও কঠিন কাজ করতে পারে।

রোবটের প্রধান অংশ ও কার্যপদ্ধতি:

  1. পাওয়ার সিস্টেম: রোবটকে সচল রাখতে রিচার্জেবল লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়।
  2. অ্যাকচুয়েটর বা অ্যাক্টিভেটর: এটি রোবটের পেশীর মতো কাজ করে যা রোবটের হাত-পা নড়াচড়া করায় (মোটরের মাধ্যমে)।
  3. সেন্সর বা অনুভুতি ব্যবস্থা: রোবটের ক্যামেরা ও সেন্সরগুলো মানুষের চোখের মতো চারপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে।
  4. মস্তিষ্ক বা কন্ট্রোলার: একটি মাইক্রোপ্রসেসর বা কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে রোবটকে নির্দেশনা দেয়।

উদ্দীপকের রোবটটি বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত, যা মানুষের জীবন বাঁচায় এবং মানুষের বিকল্প হিসেবে অত্যন্ত নিখুঁত ও নিরাপদে বিপজ্জনক কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।

প্রশ্ন (ঘ): 'X' নামের শিক্ষার্থীর অনুভূতি শেয়ার 'বিশ্বগ্রাম ধারণা সংশ্লিষ্ট' - এর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকে 'X' নামের শিক্ষার্থীর রোবটের সাথে তোলা সেলফি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ইনস্টাগ্রাম'-এ পোস্ট করে অনুভূতি প্রকাশ করার কাজটি সম্পূর্ণভাবে বিশ্বগ্রাম (Global Village) ধারণার সাথে সংশ্লিষ্ট। নিচে এর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হলো:

বিশ্বগ্রামের ধারণা:
কানাডিয়ান দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহানের তত্ত্ব অনুযায়ী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে গোটা বিশ্ব এখন একটি ছোট্ট গ্রামের মতো সংকুচিত হয়ে এসেছে, যেখানে ভৌগোলিক দূরত্ব কোনো বাধা নয়। ইন্টারনেট ও ইন্টারকানেক্টিভিটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষ মুহূর্তেই একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

উদ্দীপকের সাথে যৌক্তিকতা:

  1. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভূমিকা: ইনস্টাগ্রাম (Instagram) বিশ্বগ্রামের একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। 'X' যখন এখানে ছবি ও অনুভূতি পোস্ট করে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বগ্রামের অন্যান্য সদস্যদের (তার বন্ধু ও অনুসারী) কাছে পৌঁছে যায়।
  2. তাত্ক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান: 'X'-এর অনুভূতি ও ছবি দেখতে বন্ধুদের সশরীরে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হয়নি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মুহূর্তেই তা দেখতে ও প্রতিক্রিয়া জানাতে পারছে।
  3. দূরত্ব বিলোপ: এই প্রযুক্তি মানুষের মধ্যকার ভৌগোলিক দূরত্বকে দূর করে এক ছাদের নিচে বসবাসের অনুভূতি এনে দিয়েছে।

অতএব, 'X'-এর সেলফি ও অনুভূতি ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া বিশ্বগ্রামের মূল ধারণাকেই প্রমাণ করে। তাই বলা যায়, তার কাজটি বিশ্বগ্রাম ধারণার সাথে নিবিড়ভাবে সংশ্লিষ্ট ও যৌক্তিক।


২ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
চিত্র-১ এ একটি বাস টপোলজি (Bus Topology), চিত্র-২ এ একটি স্টার টপোলজি (Star Topology) এবং চিত্র-৩ এ একটি রিং টপোলজি (Ring Topology) দেওয়া আছে।

প্রশ্ন (ক): ব্যান্ডউইডথ কাকে বলে?

উত্তর (ক):

প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডেটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত বা ট্রান্সমিট হয়, তাকে ব্যান্ডউইডথ (Bandwidth) বলে। এর পরিমাপের একক হলো bps (bits per second)।

প্রশ্ন (খ): ওয়ারলেস কমিউনিকেশনের ধারণা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

কোনো শারীরিক সংযোগ বা তার (ক্যাবল) ব্যবহার না করে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের (Electromagnetic Waves) সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে ডেটা আদান-প্রদান করার পদ্ধতিকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন (Wireless Communication) বলে।
এতে ডেটা প্রেরণের জন্য সাধারণত রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ বা ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহৃত হয়। মোবাইল নেটওয়ার্ক, ওয়াই-ফাই (Wi-Fi), ব্লুটুথ এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এর অন্যতম জনপ্রিয় উদাহরণ। এটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো স্থান থেকে যুক্ত থাকার নমনীয়তা ও গতিশীলতা প্রদান করে।

প্রশ্ন (গ): চিত্র-১ কোন ধরনের টপোলজি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকের চিত্র-১ এ প্রদর্শকার নেটওয়ার্ক গঠনটি হলো একটি বাস টপোলজি (Bus Topology)

বাস টপোলজির ব্যাখ্যা:
যে নেটওয়ার্ক টপোলজিতে একটিমাত্র মূল ক্যাবল বা সাধারণ ব্যাকবোন তারের সাথে সবকটি কম্পিউটার বা নোড সরাসরি যুক্ত থাকে, তাকে বাস টপোলজি বলে। এই প্রধান তারটিকে 'বাস' বা 'ব্যাকবোন' বলা হয়।

কার্যপদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্য:

  1. টার্মিনেটর: এই টপোলজির প্রধান ক্যাবলের দুই প্রান্তে টার্মিনেটর (Terminator) ব্যবহার করা হয় যা সিগন্যালকে শোষণ করে নেটওয়ার্কের সিগন্যাল কলিশন বা সংঘর্ষ এড়ায়।
  2. ডেটা পরিবহন: যখন কোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠায়, তা বাসের মধ্য দিয়ে সব কম্পিউটারের কাছে যায়। কিন্তু যার আইপি বা ম্যাক ঠিকানার সাথে মিল থাকে, শুধু সেই কম্পিউটারই ডেটা গ্রহণ করে, বাকিরা তা বর্জন করে।
  3. সহজ ডিজাইন ও ব্যয় সাশ্রয়: এই নেটওয়ার্ক তৈরি করতে খুব কম ক্যাবল বা তার লাগে এবং কোনো হাব বা সুইচের প্রয়োজন হয় না। কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক সচল থাকে। তবে মূল ব্যাকবোন তারটি নষ্ট হয়ে গেলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।

প্রশ্ন (ঘ): চিত্র-১, চিত্র-২ ও চিত্র-৩ কে সমন্বিত করলে নতুন কোন টপোলজি পাওয়া সম্ভব? সপক্ষে তোমার উত্তর দাও।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকের চিত্র-১ (বাস), চিত্র-২ (স্টার) এবং চিত্র-৩ (রিং) টপোলজিকে সমন্বিত বা একত্রিত করলে যে নতুন নেটওয়ার্ক টপোলজি পাওয়া সম্ভব, তাকে হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology) বলে।

হাইব্রিড টপোলজির সপক্ষে যুক্তি ও সুবিধা:

  1. ভিন্ন টপোলজির সমন্বয়: হাইব্রিড টপোলজি কোনো একক টপোলজি নয়, বরং এটি একাধিক ভিন্ন ভিন্ন টপোলজির (যেমন- বাস, স্টার, রিং) সংমিশ্রণে গঠিত একটি বিশেষ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
  2. ব্যবহারিক ক্ষেত্র: সাধারণত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে বিভিন্ন বিভাগে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক থাকে, সেগুলোকে একটি মূল ব্যাকবোনের সাহায্যে যুক্ত করতে এই হাইব্রিড টপোলজি ব্যবহৃত হয়। ইন্টারনেট নিজেই একটি বিশাল হাইব্রিড টপোলজির উদাহরণ।
  3. নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ সহজ: এই নেটওয়ার্কের অন্যতম বড় সুবিধা হলো খুব সহজেই নতুন কোনো টপোলজি বা কম্পিউটারকে 기존 নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে এর পরিধি বাড়ানো যায়, যাতে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ করার প্রয়োজন হয় না।
  4. ত্রুটি সনাক্তকরণ: কোনো একটি সেকশনে বা টপোলজিতে সমস্যা দেখা দিলে শুধু সেই অংশটি আলাদা করে সহজেই মেরামত করা যায়, যা অন্যান্য সেকশনের ডেটা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে না।

অতএব, চিত্র-১, চিত্র-২ এবং চিত্র-৩ এর সমন্বয়ে তৈরি নেটওয়ার্কটি একটি শক্তিশালী ও কার্যকারী হাইব্রিড টপোলজি হবে।


৩ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
ড. সুরভী স্বচ্ছ কাচের তৈরি কেবলের মাধ্যমে উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তিনি X ও Y নামে দুটি তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করেন। X তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলে খুব বেশি শোষিত হয় না। Y তরঙ্গ X এর মতো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে না। তরঙ্গ দুটির একটি ক্ষুদ্র অংশ আমরা দৃশ্যমান আলো হিসেবে দেখতে পাই।

প্রশ্ন (ক): পিকনেট কাকে বলে?

উত্তর (ক):

ব্লুটুথ প্রযুক্তির সাহায্যে সর্বোচ্চ ৮টি সচল ডিভাইসের মধ্যে যে তাৎক্ষণিক ও স্বয়ংক্রিয় ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে, তাকে পিকনেট (Piconet) বলে।

প্রশ্ন (খ): মোবাইল ফোনের ডাটা কমিউনিকেশন মোড ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

মোবাইল ফোনের কথোপকথন বা যোগাযোগের জন্য ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) ডাটা কমিউনিকেশন মোড ব্যবহৃত হয়।
ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—এতে একই সময়ে বা যুগপৎভাবে প্রেরক ও প্রাপক উভয় প্রান্ত থেকেই ডেটা আদান-প্রদান করা সম্ভব। অর্থাৎ, মোবাইলে কথা বলার সময় একজন কথা বলার সাথে সাথেই অন্যজন শুনতে পায় এবং একই সময়ে কথা বলতে পারে। এতে কাউকে লাইনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না, যা দ্বিমুখী ও রিয়েল-টাইম যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

প্রশ্ন (গ): উদ্দীপকে ড. সুরভী যে ইন্টারনেট মাধ্যমটি ব্যবহার করেন তার গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকে ড. সুরভী স্বচ্ছ কাচের তৈরি যে কেবলের মাধ্যমে উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তা হলো অপটিক্যাল ফাইবার কেবল (Optical Fiber Cable)

অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের গঠন:
অপটিক্যাল ফাইবার কেবল অত্যন্ত সূক্ষ্ম ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ (যেমন- সিলিকা কাচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক) দিয়ে তৈরি এক ধরণের তার, যা আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) নীতিতে কাজ করে। এর প্রধান ৩টি অংশ হলো:

  1. কোর (Core): এটি কেবলের সবচেয়ে ভেতরের কেন্দ্রীয় অংশ যা অত্যন্ত স্বচ্ছ কাচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এর ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রন পর্যন্ত হতে পারে। কোরের মধ্য দিয়েই মূলত ইনফারেড আলোক রশ্মি প্রবাহিত হয়।
  2. ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরকে ঘিরে থাকা দ্বিতীয় স্তরটি হলো ক্ল্যাডিং, যা তুলনামূলক কম প্রতিসরণাঙ্কের কাচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এটি কোরের আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে কোরের ভেতরেই আলোকে আটকে রাখে।
  3. জ্যাকেট (Jacket): কেবলের বাইরের প্লাস্টিকের আবরণ যা ভেতরের কোর ও ক্ল্যাডিংকে আর্দ্রতা, ঘর্ষণ, চাপ ও ঝড়-বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করে। এটি কেবলটিকে মজবুত করে তোলে।

প্রশ্ন (ঘ): উদ্দীপকের আলোকে X ও Y তরঙ্গ দুটির মধ্যে কোনটি যোগাযোগ ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকের বর্ণনানুযায়ী:

  • X তরঙ্গটি হলো রেডিও ওয়েভ (Radio Wave): কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে খুব বেশি শোষিত হয় না এবং বাধা পেরিয়ে সব দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  • Y তরঙ্গটি হলো মাইক্রোওয়েভ (Microwave): কারণ এটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে না বরং প্রেরক ও গ্রাহক অ্যান্টেনার সোজা রেখায় (Line of Sight) একমুখী প্রবাহিত হয়।

যোগাযোগ ক্ষেত্রে রেডিও ওয়েভের (X তরঙ্গ) ব্যাপক ও বেশি ব্যবহারের কারণসমূহ:

  1. বাধা অতিক্রমের ক্ষমতা: রেডিও ওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় এটি বড় বড় ভবন, দেয়াল বা পাহাড় সহজে অতিক্রম করতে পারে। কিন্তু মাইক্রোওয়েভ (Y) কোনো বাধা অতিক্রম করতে পারে না, এর জন্য সোজা ফাঁকা দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) প্রয়োজন হয়।
  2. ওমনি-ডাইরেকショナル বৈশিষ্ট্য: রেডিও ওয়েভ সব দিকে সমানভাবে ছড়ায়। ফলে প্রেরক ও গ্রাহক অ্যান্টেনার মুখামুখি সোজা লাইনে থাকার প্রয়োজন হয় না, যা মোবাইল ফোন ও পোর্টেবল যোগাযোগের জন্য আদর্শ। অন্যদিকে মাইক্রোওয়েভ একমুখী হওয়ায় অ্যান্টেনা সোজা এলাইন করে রাখতে হয়।
  3. বহুমুখী ব্যবহার: সাধারণ এফএম রেডিও, টেলিভিশন সম্প্রচার, মোবাইল ফোনের সেলুলার নেটওয়ার্ক (যেমন- 2G, 3G, 4G), পুলিশের ওয়্যারলেস এবং ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) ও ব্লুটুথে রেডিও ওয়েভ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
  4. প্রতিকূল আবহাওয়ায় স্থিতিশীলতা: কুয়াশা, বৃষ্টি বা মেঘে রেডিও ওয়েভ সহজে শোষিত বা বাধাগ্রস্ত হয় না, যা মাইক্রোওয়েভের ক্ষেত্রে ডেটা লসের কারণ হতে পারে।

অতএব, সার্বিক সহজলভ্যতা, নমনীয়তা ও বাধা অতিক্রম করার ক্ষমতার কারণে যোগাযোগ ক্ষেত্রে মাইক্রোওয়েভের তুলনায় রেডিও ওয়েভ (X তরঙ্গ) অনেক বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়


৪ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
P = (FF)₁₆, Q = (27)₈, R = (101011)₂

প্রশ্ন (ক): রেজিস্টারে নতুন তথ্য রাখাকে কী বলে?

উত্তর (ক):

রেজিস্টারে নতুন তথ্য বা ডেটা স্থাপন করাকে রাইট (Write) বা লোড (Load) করা বলে।

প্রশ্ন (খ): 3D কোন ধরনের সংখ্যা? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

3D একটি হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয়। এগুলো হলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০টি অঙ্ক এবং A, B, C, D, E, F এই ৬টি বর্ণ (যার মান যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫)। যেহেতু '3D' সংখ্যাটির '3' এবং 'D' প্রতীক দুটি হেক্সাডেসিমেল চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা। এর সমতুল্য ডেসিমেল মান হলো: (3 * 16¹) + (13 * 16⁰) = 48 + 13 = (61)₁₀।

প্রশ্ন (গ): P এর পরবর্তী সংখ্যাকে অষ্টালে রূপান্তর কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকে দেওয়া আছে, P = (FF)₁₆

  1. পরবর্তী সংখ্যা নির্ণয়: P-এর পরবর্তী সংখ্যাটি হবে (FF)₁₆ + (1)₁₆ = (100)₁₆।
  2. হেক্সাডেসিমেল (100)₁₆ কে অষ্টালে রূপান্তর:
  3. প্রথমে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্কের জন্য ৪-বিট বাইনারি লিখি:
1 -> 0001
0 -> 0000
0 -> 0000
সুতরাং, বাইনারি রূপ = (000100000000)₂ বা (100000000)₂।
  • এবার বাইনারি মানটিকে ডান দিক থেকে ৩-বিট করে গ্রুপে ভাগ করি:
(100 000 000)₂
  • প্রতিটি ৩-বিটের জন্য সমতুল্য অক্টাল মান লিখি:
100 -> 4
000 -> 0
000 -> 0
সুতরাং, অক্টাল রূপ = (400)₈
উত্তর: P এর পরবর্তী সংখ্যার অক্টাল মান (400)₈

প্রশ্ন (ঘ): Q ও R কে দশমিক পদ্ধতিতে যোগ করে যোগফলকে 2 এর পরিপূরক নির্ণয় কর।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকে দেওয়া আছে, Q = (27)₈ এবং R = (101011)₂

  1. Q এবং R কে দশমিকে রূপান্তর:
  2. Q = (27)₈ = (2 * 8¹) + (7 * 8⁰) = 16 + 7 = (23)₁₀
  3. R = (101011)₂ = (1 * 2⁵) + (0 * 2⁴) + (1 * 2³) + (0 * 2²) + (1 * 2¹) + (1 * 2⁰)
= 32 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1 = (43)₁₀
  1. দশমিক পদ্ধতিতে যোগফল নির্ণয়:
  2. যোগফল = 23 + 43 = (66)₁₀
  1. যোগফল (66)₁₀ এর ৮-বিট রেজিস্টারে ২ এর পরিপূরক মান নির্ণয়:
  2. প্রথমে +66 এর বাইনারি নির্ণয় করি:
66 = 64 + 2 = 2⁶ + 2¹ = (1000010)₂
৮-বিট রেজিস্টারে +66 এর মান: 01000010
  • ১ এর পরিপূরক (1's Complement) পেতে বিটগুলো উল্টিয়ে পাই:
10111101
  • এর সাথে ১ যোগ করে ২ এর পরিপূরক (2's Complement) পাই:
10111101
+ 1
──────────
10111110

উত্তর: Q ও R এর দশমিক যোগফল (66)₁₀ এবং এর ২ এর পরিপূরক মান হলো 10111110 (যা -66 এর সমতুল্য)।


৫ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
চিত্র-১ এ একটি ইউনিভার্সাল গেট (NAND Gate) এবং চিত্র-২ এ একটি সমীকরণ X = A + BC এর লজিক গেট নেটওয়ার্ক দেওয়া আছে।

প্রশ্ন (ক): মৌলিক গেইট কাকে বলে?

উত্তর (ক):

যেসব লজিক গেট অন্য কোনো গেটের সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তৈরি করা যায় এবং যা বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক অপারেশনগুলো (যোগ, গুণ ও পূরক) সম্পাদন করে, তাদের মৌলিক গেট (Basic Gate) বলে। মৌলিক গেট ৩টি: AND, OR এবং NOT গেট।

প্রশ্ন (খ): 1 + 1 + 1 = 1 ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় '+' চিহ্ন দ্বারা যৌক্তিক যোগ বা অর (OR) অপারেশনকে বোঝানো হয়।
যৌক্তিক অর (OR) অপারেশনের মূল নিয়ম হলো—যেকোনো একটি বা একাধিক ইনপুট সত্য (1) হলে, আউটপুট সর্বদা সত্য (1) হবে। এখানে ইনপুট হিসেবে তিনটি '1' (সত্য) রয়েছে, তাই যৌক্তিক যোগের আউটপুট '1' হয়েছে। এটি প্রচলিত পাটিগণিতীয় যোগ নয়, বরং যৌক্তিক অর অপারেশন।

প্রশ্ন (গ): চিত্র-১ দিয়ে মৌলিক গেইটগুলো বাস্তবায়ন কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকের চিত্র-১ এ প্রদর্শিত গেটটি হলো একটি NAND গেট (সার্বজনীন গেট)। নিচে NAND গেট দিয়ে ৩টি মৌলিক গেট বাস্তবায়ন দেখানো হলো:

  1. NOT গেট বাস্তবায়ন:
NAND গেটের দুটি ইনপুট একসাথে যুক্ত করে একটি সাধারণ ইনপুট A দিলে তা NOT গেটের মতো আচরণ করে।
সমীকরণ: Y = (A . A)' = A'
  1. AND গেট বাস্তবায়ন:
একটি সাধারণ NAND গেটের আউটপুটের সাথে আরেকটি NOT গেট (NAND দিয়ে তৈরি) যুক্ত করলে AND গেট পাওয়া যায়।
সমীকরণ: Y = ((A . B)')' = A . B
  1. OR গেট বাস্তবায়ন:
প্রথমে দুটি ইনপুট A ও B কে আলাদা দুটি NOT গেটের (NAND দিয়ে তৈরি) মধ্য দিয়ে চালনা করে প্রাপ্ত আউটপুটদ্বয়কে (A' ও B') আরেকটি NAND গেটের মধ্য দিয়ে চালনা করলে OR গেট পাওয়া যায়।
সমীকরণ: Y = (A' . B')' = (A')'' + (B')'' = A + B (ডি-মরগ্যান সূত্রানুযায়ী)।

প্রশ্ন (ঘ): চিত্র-২ এর বর্তনী তৈরি করে বর্তনীতে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি গেইটের সত্যক সারণি তৈরি কর।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকের চিত্র-২ এর সমীকরণটি হলো: X = A + BC

বর্তনী তৈরি (Logic Circuit Diagram):

  1. প্রথমে B এবং C ইনপুট দুটিকে একটি AND গেট-এর মধ্য দিয়ে চালনা করে BC তৈরি করি।
  2. এরপর A এবং AND গেটের আউটপুট BC-কে একটি OR গেট-এর মধ্য দিয়ে চালনা করে চূড়ান্ত আউটপুট X = A + BC পাই।

ব্যবহৃত গেটসমূহের সত্যক সারণি:
এখানে দুটি গেট ব্যবহৃত হয়েছে: একটি ২-ইনপুট AND গেট এবং একটি ২-ইনপুট OR গেট।

১. AND গেটের সত্যক সারণি (ইনপুট B, C এবং আউটপুট Y = BC):
| B | C | Y = BC |
|:-:|:-:|:------:|
| 0 | 0 | 0 |
| 0 | 1 | 0 |
| 1 | 0 | 0 |
| 1 | 1 | 1 |

২. OR গেটের সত্যক সারণি (ইনপুট A, BC এবং আউটপুট X = A + BC):
| A | BC | X = A+BC |
|:-:|:--:|:--------:|
| 0 | 0 | 0 |
| 0 | 1 | 1 |
| 1 | 0 | 1 |
| 1 | 1 | 1 |


৬ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
অধ্যক্ষ মহোদয় মাদ্রাসার জন্য তৈরিকৃত ওয়েবসাইটে শিক্ষক তালিকার তথ্য নিম্নরূপ এবং মাদ্রাসার একটি ছবি (madrasah.jpg) সংযুক্ত করতে বললেন।
Teachers info (Table)
Name: M. Ali, Designation: Lecturer, Subject: ICT
সাইটটিতে ভিজিটরদের মতামত প্রদানের কোনো ব্যবস্থা নাই।

প্রশ্ন (ক): ওয়েব সাইট পাবলিশ করা হয় কেন?

উত্তর (ক):

তৈরিকৃত ওয়েবসাইটকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত কোনো ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করে সারাবিশ্বের ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত বা দৃশ্যমান করার জন্য ওয়েবসাইট পাবলিশ (Publish) করা হয়।

প্রশ্ন (খ): ইন্টারনেট যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য IP address প্রয়োজন - ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address - Internet Protocol Address) হলো ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইসের একটি নির্দিষ্ট ও অনন্য গাণিতিক ঠিকানা।
ইন্টারনেটে সঠিক উপায়ে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য প্রেরক ও গ্রাহক উভয় ডিভাইসের নির্দিষ্ট ঠিকানা থাকা আবশ্যক। আইপি অ্যাড্রেস না থাকলে নেটওয়ার্কের কোন ডিভাইসটি তথ্য পাঠাচ্ছে বা কোন ডিভাইসের কাছে তথ্য যাচ্ছে তা নেটওয়ার্ক ডিভাইস (যেমন রাউটার) সনাক্ত করতে পারে না, ফলে কোনো প্রকার ডেটা আদান-প্রদান করা সম্ভব নয়। তাই ইন্টারনেট যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য আইপি অ্যাড্রেস অত্যন্ত জরুরি।

প্রশ্ন (গ): Teachers info টেবিলটি তৈরির html Code লেখ।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকের 'Teachers info' টেবিলটি এবং মাদ্রাসার ছবি (madrasah.jpg) যুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় HTML কোড নিচে দেওয়া হলো:

<!DOCTYPE html>
<html>
<head>
    <title>Teachers Info</title>
</head>
<body>
    <!-- মাদ্রাসার ছবি সংযুক্তিকরণ -->
    <div style="text-align: center; margin-bottom: 20px;">
        <img src="madrasah.jpg" alt="Madrasah Photo" width="400" height="250">
    </div>

    <!-- শিক্ষক তালিকা টেবিল -->
    <table border="1" align="center" cellpadding="10" cellspacing="0">
        <caption><h3>Teachers Info</h3></caption>
        <tr bgcolor="#1B4D3E" style="color: white;">
            <th>Name</th>
            <th>Designation</th>
            <th>Subject</th>
        </tr>
        <tr>
            <td>M. Ali</td>
            <td>Lecturer</td>
            <td>ICT</td>
        </tr>
    </table>
</body>
</html>

প্রশ্ন (ঘ): উদ্দীপকে মাদ্রাসার ওয়েব সাইটটি কি ডায়নামিক? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকে বর্ণিত মাদ্রাসার ওয়েবসাইটটি ডায়নামিক নয়, বরং এটি একটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট (Static Website)। নিচে আমার উত্তরের পক্ষে যৌক্তিক প্রমাণসমূহ উপস্থাপন করা হলো:

স্ট্যাটিক ও ডায়নামিক ওয়েবসাইটের ধারণা:
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের কনটেন্ট বা তথ্য পূর্বনির্ধারিত থাকে এবং ব্যবহারকারীদের পরিবর্তনের সাথে তা রানটাইমে পরিবর্তিত হয় না। অন্যদিকে, ডায়নামিক ওয়েবসাইট ডেটাবেজের সাথে যুক্ত থাকে এবং ব্যবহারকারীর চাহিدانুযায়ী পেজের তথ্য রিয়েল-টাইমে আপডেট হতে পারে।

উদ্দীপকের আলোকে প্রমাণ:

  1. মতামত প্রদানের ব্যবস্থার অনুপস্থিতি: উদ্দীপকে সরাসরি উল্লেখ আছে, "সাইটটিতে ভিজিটরদের মতামত প্রদানের কোনো ব্যবস্থা নাই।" মতামত বা ফিডব্যাক দেওয়ার কোনো ডাটাবেজ ইনপুট মেকানিজম না থাকা স্ট্যাটিক সাইটের মূল বৈশিষ্ট্য।
  2. স্থির তথ্য: ওয়েবসাইটে শিক্ষক তালিকা এবং ছবি সরাসরি এইচটিএমএল কোডের মাধ্যমে স্থিরভাবে সাজানো আছে যা পরিবর্তন করতে হলে কোড এডিট করতে হবে।
  3. ডেটাবেজের ব্যবহার না থাকা: সাইটটিতে কোনো ইন্টারেক্টিভ কন্টেন্ট বা কোনো ফাইল আপলোডের সুবিধা নেই। এটি শুধুমাত্র একমুখী তথ্য পরিবেশন করছে।

অতএব, এসব বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, মাদ্রাসার ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ একটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট


৭ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
সি প্রোগ্রাম:
#include <stdio.h>
main()
{
int n1, n2, sum;
n1 = 4;
n2 = 5;
sum = n1 + n2;
return 0;
}

প্রশ্ন (ক): C ভাষায় মডুলাস অপারেটর কাকে বলে?

উত্তর (ক):

C প্রোগ্রামিং ভাষায় দুটি পূর্ণসংখ্যা ভাগের পর ভাগশেষ (Remainder) নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত `%` (পারসেন্ট) চিহ্ন বিশিষ্ট অপারেটরকে মডুলাস অপারেটর বলে।

প্রশ্ন (খ): অ্যারে একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার - ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

অ্যারে (Array) হলো একই ডেটা টাইপের একাধিক ডেটার একটি সুনির্দিষ্ট সমাহার, যা মেমোরিতে পরস্পর সংলগ্ন বা পাশাপাশি স্থানে (Contiguous Memory Locations) সংরক্ষিত থাকে।
সাধারণ ভেরিয়েবলে আমরা কেবল একটি মান রাখতে পারি, কিন্তু একটি অ্যারিতে একই নামের অধীনে ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে অনেকগুলো মান রাখা সম্ভব। এটি মেমোরিতে ক্রমান্বয়ে সংরক্ষিত হওয়ায় ডেটা প্রসেসিং, সাজানো (Sorting) এবং অনুসন্ধান করা খুব সহজ হয়। তাই অ্যারেকে একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার বলা হয়।

প্রশ্ন (গ): প্রোগ্রামটির ফ্লোচার্ট অঙ্কন কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকের প্রোগ্রামটির ফ্লোচার্ট তৈরির ধাপসমূহ নিচে দেওয়া হলো (ডকুমেন্টে এটি চিত্র বা ডায়াগ্রাম লেআউট আকারে উপস্থাপিত হবে):

  1. Start (ডিম্বাকৃতি): প্রোগ্রাম শুরু নির্দেশ করে।
  2. Processing (আয়তক্ষেত্র): `n1 = 4`, `n2 = 5` চলক দুটির মান নির্ধারণ।
  3. Processing (আয়তক্ষেত্র): `sum = n1 + n2` যোগফল নির্ণয়।
  4. Output (সামান্তরিক): `sum` এর মান পর্দায় প্রদর্শন।
  5. End (ডিম্বাকৃতি): প্রোগ্রাম সমাপ্ত ঘোষণা।

(ফ্লোচার্টের প্রতিটি বক্স উপর থেকে নিচে তীরের সাহায্যে ক্রমান্বয়ে সংযুক্ত থাকে)

প্রশ্ন (ঘ): উদ্দীপকে কী পরিবর্তন করলে; যে কোনো ২টি দশমিকযুক্ত সংখ্যা যোগ করতে পারবে? ব্যাখ্যাসহ 'সি' প্রোগ্রাম লেখ।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকের প্রোগ্রামে যে কোনো দুটি দশমিকযুক্ত সংখ্যা যোগ করতে হলে নিম্নোক্ত পরিবর্তনগুলো করতে হবে:

প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসমূহ:

  1. ডেটা টাইপ পরিবর্তন: উদ্দীপকে `int` (পূর্ণসংখ্যা) টাইপের ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে। দশমিক সংখ্যার জন্য একে পরিবর্তন করে `float` বা `double` করতে হবে।
  2. ইউজার ইনপুট ব্যবস্থা (scanf): উদ্দীপকে `n1 = 4` এবং `n2 = 5` মান ফিক্সড করা আছে। যে কোনো সংখ্যা ইনপুট নেওয়ার জন্য `scanf()` ফাংশন যুক্ত করতে হবে।
  3. ফরম্যাট স্পেসিফায়ার পরিবর্তন: পূর্ণসংখ্যার জন্য ব্যবহৃত `%d` এর পরিবর্তে দশমিকের জন্য `%f` ব্যবহার করতে হবে।

পরিবর্তিত সি প্রোগ্রাম:

#include <stdio.h>

int main()
{
    float n1, n2, sum; // দশমিক সংখ্যার জন্য float টাইপ চলক ঘোষণা
    
    printf("প্রথম দশমিক সংখ্যাটি লিখুন: ");
    scanf("%f", &n1); // প্রথম সংখ্যা ইনপুট গ্রহণ
    
    printf("দ্বিতীয় দশমিক সংখ্যাটি লিখুন: ");
    scanf("%f", &n2); // দ্বিতীয় সংখ্যা ইনপুট গ্রহণ
    
    sum = n1 + n2; // যোগফল নির্ণয়
    
    printf("যোগফল: %.2f\n", sum); // দশমিকের পর ২ ঘর পর্যন্ত প্রিন্ট
    
    return 0;
}


৮ নং সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

উদ্দীপক:
Student Table এবং Result Table:
Student Table (Roll, Name, Dept, City)
Result Table (Roll, Total Mark, GPA)

প্রশ্ন (ক): প্রাইমারি কি বলতে কী বুঝ?

উত্তর (ক):

রিলেশনাল ডেটাবেজের কোনো টেবিলের যে কলাম বা ফিল্ডের মান দ্বারা প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা ও অনন্যভাবে সনাক্ত করা যায়, তাকে প্রাইমারি কি (Primary Key) বলে। যেমন- রোল নম্বর।

প্রশ্ন (খ): ডেটাবেজ কেন ইনডেক্সিং করা হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (খ):

ডেটাবেজে সংরক্ষিত হাজার হাজার ডেটার মধ্য থেকে কাঙ্ক্ষিত কোনো তথ্য খুব কম সময়ে এবং অতি দ্রুত অনুসন্ধান করে খুঁজে পাওয়ার জন্য ইনডেক্সিং (Indexing) করা হয়।
ইনডেক্সিং হলো মূল টেবিলের তথ্যের একটি সংক্ষিপ্ত সূচি ফাইল তৈরি করা, যার ফলে কুয়েরি বা খোঁজার সময় পুরো ডেটাবেজ ফাইল স্ক্যান করার প্রয়োজন হয় না। সরাসরি ইনডেক্স ফাইল থেকে মূল ডেটার মেমোরি ঠিকানা পাওয়া যায়, যা অনুসন্ধানের সময় ও প্রসেসিং শক্তি সাশ্রয় করে।

প্রশ্ন (গ): Student Table এর ফিল্ডগুলোর ডেটা টাইপ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর (গ):

উদ্দীপকের 'Student Table'-এর প্রতিটি ফিল্ডের ধরন অনুযায়ী সঠিক ডেটা টাইপ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

  1. Roll: এই ফিল্ডটিতে রোল নম্বর হিসেবে গাণিতিক সংখ্যা (যেমন- ১০১০, ১৩০১) বসে। তাই এর ডেটা টাইপ হবে Number বা Integer
  2. Name: এই ফিল্ডে শিক্ষার্থীদের নাম বা অক্ষরের সমষ্টি সংরক্ষিত থাকে। তাই এর ডেটা টাইপ হবে Text বা Varchar
  3. Dept: এখানে বিভাগের নাম বা সংক্ষিপ্ত রূপ (যেমন- Science, Humanities) বসবে। এর ডেটা টাইপ হবে Text বা Varchar
  4. City: এই ফিল্ডে শহরের নাম বা টেক্সট সংরক্ষিত থাকে। তাই এর ডেটা টাইপও হবে Text বা Varchar

প্রশ্ন (ঘ): উদ্দীপকের টেবিলদ্বয়ের মধ্যকার সম্পর্কের কারণ ও সুবিধা সপক্ষে তোমার মতামত ব্যক্ত কর।

উত্তর (ঘ):

উদ্দীপকের Student Table এবং Result Table-এর মধ্যকার রিলেশনশিপটি হলো One-to-One (১:১) রিলেশনশিপ। নিচে এর কারণ ও সুবিধার সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো:

এই সম্পর্কের সুবিধাসমূহ:

  1. ডেটা অপচয় ও সাইজ হ্রাস (Data Redundancy): শিক্ষার্থীর সাধারণ তথ্য এবং পরীক্ষার ফলাফলের তথ্য একই টেবিলে না রেখে আলাদা রাখায় ডেটার পুনরাবৃত্তি ঘটে না, যা মেমোরি বাঁচায়।
  2. ডেটা নিরাপত্তা (Data Security): কোনো ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর জন্য শিক্ষার্থীর সাধারণ তথ্য দেখার অনুমতি থাকলেও রেজাল্টের মতো সংবেদনশীল তথ্য পৃথক টেবিলে রেখে পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড করা যায়।
  3. দ্রুত কুয়েরি ও মেইনটেইনেন্স: আলাদা টেবিলে অল্প ফিল্ড থাকায় সার্চিং বা ইনপুট দেওয়ার কাজ অনেক দ্রুত ও ত্রুটিহীনভাবে সম্পন্ন করা যায়।

📥 সম্পূর্ণ প্রশ্নের পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করুন

পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরের প্রিন্ট-রেডি ফাইলটি আপনার ডিভাইসে সংরক্ষণ করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।


📥 সম্পূর্ণ প্রশ্নের সমাধান পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করুন

পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরের প্রিন্ট-রেডি ফাইলটি আপনার ডিভাইসে সংরক্ষণ করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

আপনার প্রশ্ন-পরামর্শ কিংবা অনুরোধ জানাতে...

Post a Comment

0Comments

Post a Comment (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!